Kakrol Pur 25

কাঁকরোল পুর তৈরি করার সহজ পদ্ধতি / How to make stuffed Teasel Gourd

কাঁকরোল পুর (Stuffed Teasel Gourd) বাঙালি ঘরের এক প্রাচীন এবং লোভনীয় রান্না। এটি মূলত গোল বা একটু লম্বাটে মতো দেখতে একটি সবজির ভেতর পুর ভরে রান্না করা হয়। কাঁকরোল গরমকালে বেশি পাওয়া যায় এবং এটি অনেক স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর সবজি।

এই রেসিপিতে কাঁকরোলের মাঝখান থেকে বীজ ও ভেতরের অংশ বের করে সেখানে সুস্বাদু পুর ভরা হয়। পুর সাধারণত নারকেল, সর্ষে বাটা, পোস্তবাটা বা ভাজা মসুর ডালের সঙ্গে নানা মশলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এরপর এই পুরভরা কাঁকরোলগুলি বেসনের মিশ্রণ লাগিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিতে হয়।

এই সবজিকে সাধারণত ভাজা বা ঝোল করে খাওয়া হলেও, তার ভেতর পুর ভরে রান্না করলেই এর স্বাদ ও বৈচিত্র্য বহু গুণ বেড়ে যায়। এটি সাধারণত উৎসব বা অতিথি আপ্যায়নের সময়ে পরিবেশন করা হয় তা নয় এটি আমাদের দৈনন্দিন খাবারের মধ্যে ও থাকে।

কাঁকরোল পুরের তরকারি ছাড়া পটলের দোরমা, এঁচোড়ের রেসিপি, নিরামিষ বাঁধাকপির রেসিপি শেয়ার করা আছে দেখে নিতে পারেন।

উপকরণ
  • কাঁকরোল, সাদা সর্ষে, কালো সর্ষে, পিঁয়াজ, আদা, কাঁচা লঙ্কা, হলুদ গুড়ো, লঙ্কা গুড়ো, নুন, চিনি, সর্ষের তেল ও সাদাতেল। এই উপকরণ গুলির পরিমান নিচে মেনু কার্ডের মধ্যে আছে।

প্রণালী:

কাঁকরোল কেটে ধুয়ে সিদ্ধ করে হবে নিতে

প্রথমে কাকরোল গুলোর বোটা ছুরি দিয়ে কেটে নিতে হবে। কাঁকরোল গুলোর ধার ধার অংশ কেটে ফেলে দিতে হবে। কাঁকরোলের ধার অংশ ফেলে দেওয়ার পর মাঝখান থেকে কেটে ধুয়ে নিতে হবে।

Kakrol Pur 01
কাঁকরোল গুলো ধুয়ে একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে নেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 02
কাঁকরোলের আঁস ছাড়ানোর পর কেটে ধুয়ে রাখা হয়েছে

গ্যাস জ্বালিয়ে একটি ফ্রাইপেন বা কড়াই বসিয়ে দিতে হবে। তারপর ফ্রাইপেনের মধ্যে পরিমানমত জল দিয়ে দিতে হবে। জল ফুটে উঠার পর ধুয়ে রাখা কাঁকরোল ও সামান্য নুন দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করে নিতে হবে।

টিপস

কাঁকরোল সিদ্ধ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে কাঁকরোল যাতে বেশি সিদ্ধ না হয়। কাকরোলের টুকরো বেশি সিদ্ধ হয়ে গেলে ভেঙে যাবে তাই ৫ মিনিট পর চামচ বা ছুরির কাঁকরোলের মধ্যে গেঁথে দেখে নিতে হবে নরম হয়েছে কি না।.

Kakrol Pur 03
কাঁকরোল সিদ্ধ করার জন্য কড়াইয়ের মধ্যে জল ও কাঁকরোল দিয়ে গ্যাস জ্বালিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে

কাঁকরোল সিদ্ধ হওয়ার পর গরম জল থেকে ঝাঝরি হাতা দিয়ে  জল ঝরিয়ে সব কাঁকরোল একটি পাত্রের মধ্যে তুলে নিতে হবে।  সিদ্ধ কাকরোল ঠান্ডা হওয়ার পর একটি চামচ দিয়ে বিচি গুলো ধিরে ধিরে বের করে নিতে হবে।

Kakrol Pur 04
কাঁকরোল সিদ্ধ হওয়ার পর তুলে নেওয়া হচ্ছে
Kakrol Pur 05
একটি চামচের সাহায্যে কাঁকরোলের বিচি গুলো বের করে নেওয়া হচ্ছে

কাকরোলের মধ্যে পুর ভরার জন্য মশলা তৈরি করে ভেজে নিতে হবে

গ্রাইন্ডিং জার নিয়ে তার মধ্যে পরিমানমত সাদা সর্ষে, কালো সর্ষে বা রাই, পিঁয়াজ, আদা, কাঁচা লঙ্কা, নুন, চিনি, সর্ষের তেল, ও সামান্য জল দিয়ে গ্রাইন্ড করার পর কাঁকরোলের বিচি যোগ করে আরো একবার গ্রাইন্ড করে নিতে হবে।

টিপস

কাঁকরোলের বিচিগুলো পরে যোগ করার কারণ হল যেহেতু সর্ষের দানা শক্ত তাই কাঁকরোলের বিচি ও সর্ষের দানা একসাথে গ্রাইন্ড করলে সর্ষের দানা গুলো আস্ত থেকে যায়।

Kakrol Pur 06
গ্রাইন্ডিং জারের মধ্যে সাদা সর্ষে, কালো সর্ষে, পিঁয়াজ, আদা, কাঁচা লঙ্কা, নুন, চিনি, সর্ষের তেল ও সামান্য জল দিয়ে দেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 07
সর্ষে গ্রাইন্ড করার পর কাঁকরোলের সিদ্ধ বিচি গুলো দিয়ে দেওয়া হচ্ছে
Kakrol Pur 08
কাঁকরোলের সিদ্ধ বিচি গুলো যোগ করার পর আরো একবার গ্রাইন্ড করে নেওয়া হয়েছে

সর্ষের পেষ্ট বানিয়ে নেওয়ার পর গ্যাস জ্বালিয়ে ফ্রাইপেন বসিয়ে দিতে হবে। তারপর সর্ষের তেল দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হওয়ার পর পিঁয়াজের স্লাইস ও সামান্য নুন হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।

Kakrol Pur 09
গরম সর্ষের তেলের মধ্যে পিঁয়াজের স্লাইস দেওয়ার পর পরিমানমত নুন দিয়ে দেওয়া হচ্ছে

পিঁয়াজ হালকা ভাজা হওয়ার পর সর্ষের পেষ্ট, হলুদ গুড়ো, লঙ্কা গুড়ো দিয়ে ভালোকরে মিশিয়ে ভালোকরে মিশিয়ে নিতে হবে। আর চুলার আঁচ একদম কম রাখতে হবে। এই সময় নুন যোগ করলাম না কারণ সর্ষের পেষ্টের মধ্যে আছে আরো পিঁয়াজ ভাজার সময় নুন ব্যবহার করা হয়েছে।

Kakrol Pur 10
পিঁয়াজ অল্প ভাজা হওয়ার পর সর্ষের পেষ্ট, হলুদ গুড়ো, লঙ্কা গুড়ো দিয়ে দেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 11
সর্ষের পেষ্ট ও গুড়ো মশলা দেওয়ার পর খুন্তির সাহায্যে ভালো করে মিশিয়ে নেওয়া হয়েছে

সর্ষের পেষ্ট মশলার সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়ার পর কিছুক্ষণ ভেজে নিতে হবে। তারপর সর্ষের পুর ভাজা হওয়ার পর ফ্রাইপেন থেকে ছেড়ে আসবে তখন গ্যাস বন্ধ একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে নিতে হবে।

টিপস

কাঁকরোলের মধ্যে সর্ষের পুর না ভেজে ও ভরা যেতে পারে তবে আমার কাছে সর্ষের পুর ভাজা করে ভরলে বেশি ভালো লাগে খেতে। আর যারা পিঁয়াজ খান না তারা পিঁয়াজ ছাড়া পুর তৈরি করে নেবেন। 

Kakrol Pur 12
সর্ষের পেষ্ট ৫ থেকে ৬ মিনিট ধরে   ভাজা করার পর গ্যাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 13
একটি পাত্রের মধ্যে সর্ষের পুর তুলে নেওয়া হয়েছে

কাঁকরোলের মধ্যে পুর ভরে বেসনের বেটারে ডুবিয়ে গরম তেলে ভেজে নিতে হবে

সর্ষের পুর ঠান্ডা হওয়ার পর কাঁকরোলের ভিতরে অল্প অল্প করে চেপে চেপে ভরে নিতে হবে। সবগুলো কাঁকরোলের মধ্যে সমান ভাগে সর্ষের পুর ভরে নিতে হবে।

Kakrol Pur 14
সবগুলো কাঁকরোলের মধ্যে সর্ষের পুর ভরে নেওয়া হয়েছে

কাঁকরোলের মধ্যে পুর ভরার পর একটি পাত্রের মধ্য পরিমানমত বেসন, চালের গুড়ো, কালোজিরে, নুন, হলুদ গুড়ো নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নেওয়ার পর ১/২ চামচ পোস্ত দানাও যোগ করা হয়েছে।

Kakrol Pur 15
একটি পাত্রের মধ্যে বেসন, চালের গুড়ো, কালোজিরে, নুন, হলুদ গুড়ো নিয়ে নেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 16
অল্প অল্প জল দিয়ে বেসনের ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 17
বেসনের ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নেওয়ার পর ১/২ চামচ পোস্ত দানাও যোগ করা হয়েছে

বেসনের মিশ্রণ তৈরি করার পর গ্যাস জ্বালিয়ে কড়াই বসিয়ে একটু বেশি পরিমানে সাদাতেল ঢেলে দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হওয়ার পর পুর ভরা পটল বেসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে গরম তেলের মধ্যে ছেঁড়ে দিতে হবে। আর চুলার আঁচ কম থেকে মধ্যমের দিকে রাখ হবে।

Kakrol Pur 18
গ্যাস জ্বালিয়ে কড়াই বসিয়ে একটু বেশি পরিমানে সাদাতেল দিয়ে দেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 19
পুর ভরা পটলের মধ্যে বেসনের ব্যাটারে লাগিয়ে নেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 20
 তেল গরম হওয়ার পর বেসনের মিশ্রণ লাগানো কাঁকরোল তেলের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হয়েছে

কাঁকরোল গরম তেলের মধ্যে ছাড়ার পর এক দিক অল্প বাদামি রঙ হয়ে আসলে উল্টে দিতে হবে। পুর ভরা কাঁকরোল গুলো একে একে ডুবো তেলে লাল করে ভেজে নিতে হবে। পুরভরা কাঁকরোল ভাজা হয়ে গেলে তেল ঝরিয়ে একটি পাত্রের মধ্যে তুলে নিতে হবে।

Kakrol Pur 21
কাঁকরোল পুর গুলো একদিক ভাজা হওয়ার পর উল্টে দেওয়া হয়েছে
Kakrol Pur 22
পুরভরা কাঁকরোল ভাজা হওয়ার পর ঝাঝরি হাতা দিয়ে তেল ঝরিয়ে নেওয়া হচ্ছে 
Kakrol Pur 23
সবগুলো কাঁকরোলে পুর তেল ঝরিয়ে একটি পাত্রের মধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে

পরিবেশন করার পদ্ধতি

কাঁকরোল পুর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে সবচেয়ে ভালো লাগে। সঙ্গে থাকলে একটু ঘি ও ডাল, তবে কথাই নেই! এটি একটি নিরামিষ পদ হলেও স্বাদের দিক থেকে মাংস বা মাছের কোনো অভাব বোধ হয় না।

ঊপসংহার

কাঁকরোল পুর এমন এক রান্না যা সহজ উপকরণে, একটু যত্ন ও মনোযোগ দিয়ে তৈরি করা যায়, এবং খাওয়ার সময় মুখে এক অনন্য স্বাদের বিস্ফোরণ এনে দেয়। বাঙালির রান্নাঘরে কাঁকরোলের এই ভিন্ন রূপ আমাদের শিকড় ও সংস্কৃতির কথাই মনে করিয়ে দেয়। যারা ঐতিহ্য ও নতুনত্ব একসঙ্গে খুঁজে পেতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য কাঁকরোল পুর এক অনবদ্য সৃষ্টি।

Yield: 5-6

Kakrol-Pur

Kakrol Pur 25
No Ratings

কাঁকরোল পুর হল একটি জনপ্রিয় বাঙালি খাবার, যা মূলত কাঁকরোল (Teasel Gourd) এর ভেতরে সুস্বাদু পুর ভরে তৈরি করা হয়। এই ডিশটি বাঙালি রান্নার ঐতিহ্যের একটি অনন্য উদাহরণ, যেখানে মৌলিক সবজি কাঁকরোলকে ব্যবহার করে এক নতুন স্বাদ ও রূপ দেওয়া হয়।

কাঁকরোল পুর শুধুমাত্র স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টিগুণের দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কাকরোলে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেল যা হজমে সহায়তা করে এবং শরীর সুস্থ রাখে।

এটি গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করা যায়। অতিথি আপ্যায়নে বা কোনো বিশেষ বাঙালি ভোজে কাকরোল পুর একটি চমৎকার আইটেম হতে পারে।

Prep Time: 30 minutes
Cook Time: 15 minutes
Total Time: 15 minutes

Ingredients

  • কাকরোল - ৩ টি
  • সাদা সর্ষে - ২ টেবিল চামচ
  • কালো সর্ষে - ২ টেবিল চামচ
  • পিঁয়াজ - ২ টি
  • আদা - ১/২ ইঞ্চি
  • কাঁচা লঙ্কা - ৩-৪ টি
  • হলুদ গুড়ো - অল্প
  • লঙ্কা গুড়ো - অল্প
  • নুন - স্বাদমত
  • চিনি - সামান্য
  • সর্ষের তেল - পরিমানমত
  • সাদাতেল - পরিমানমত

Instructions

  1. প্রথমে কাকরোল গুলোর বোটা ছুরি দিয়ে কেটে নিতে হবে। কাঁকরোল গুলোর ধার ধার অংশ কেটে ফেলে দিতে হবে। কাঁকরোলের ধার অংশ ফেলে দেওয়ার পর মাঝখান থেকে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। 
  2. গ্যাস জ্বালিয়ে একটি ফ্রাইপেন বা কড়াই বসিয়ে দিতে হবে। তারপর ফ্রাইপেনের মধ্যে পরিমানমত জল দিয়ে দিতে হবে। জল ফুটে উঠার পর ধুয়ে রাখা কাকরোল ও সামান্য নুন দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট সিদ্ধ করে নিতে হবে।
  3. কাকরোল সিদ্ধ হওয়ার পর গরম জল থেকে ঝাঝরি হাতা দিয়ে সব তুলে নিতে হবে।  সিদ্ধ কাকরোলের বিচি একটি চামচ দিয়ে বের করে নিতে হবে। 
  4. গ্রাইন্ডিং জার নিয়ে তার মধ্যে পরিমানমত সাদা সর্ষে, কালো সর্ষে বা রাই, পিঁয়াজ, আদা, কাঁচা লঙ্কা, নুন, চিনি, সর্ষের তেল, কাঁকরোলের বিচি ও সামান্য জল দিয়ে অল্প গ্রাইন্ড করে নিতে হবে।
  5. সর্ষের পেষ্ট বানিয়ে নেওয়ার পর গ্যাস জ্বালিয়ে ফ্রাইপেন বসিয়ে দিতে হবে। তারপর সর্ষের তেল দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হওয়ার পর পিঁয়াজের স্লাইস ও সামান্য নুন হালকা লাল করে ভেজে নিতে হবে।
  6. পিঁয়াজ হালকা ভাজা হওয়ার পর সর্ষের পেষ্ট, হলুদ গুড়ো, লঙ্কা গুড়ো দিয়ে ভালোকরে মিশিয়ে ভালোকরে মিশিয়ে নিতে হবে। আর চুলার আঁচ একদম কম রাখতে হবে। 
  7. সর্ষের পেষ্ট মশলার সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়ার পর কিছুক্ষণ ভেজে নিতে হবে। তারপর সর্ষের পুর ভাজা হওয়ার পর ফ্রাইপেন থেকে ছেড়ে আসবে তখন গ্যাস বন্ধ একটি পাত্রের মধ্যে নিয়ে নিতে হবে।
  8. সর্ষের পুর ঠান্ডা হওয়ার পর কাকরোলের ভিতরে অল্প অল্প করে চেপে চেপে ভরে নিতে হবে। সবগুলো কাকরোলের মধ্যে পুর ভরে নিতে হবে। 
  9. কাকরোলের মধ্যে পুর ভরার পর একটি পাত্রের মধ্য পরিমানমত বেসন, চালের গুড়ো, কালোজিরে, নুন, হলুদ গুড়ো নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ বানিয়ে নিতে হবে।
  10. বেসনের মিশ্রণ তৈরি করার পর গ্যাস জ্বালিয়ে কড়াই বসিয়ে একটু বেশি পরিমানে সাদাতেল ঢেলে দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তেল গরম হওয়ার পর পুর ভরা পটল বেসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে গরম তেলের মধ্যে ছেঁড়ে দিতে হবে। 
  11. কাঁকরোল গরম তেলের মধ্যে ছাড়ার পর এক দিক অল্প বাদামি রঙ হয়ে আসলে উল্টে দিতে হবে। পুর ভরা কাঁকরোল গুলো একে একে ডুবো তেলে লাল করে ভেজে নিতে হবে। 
  12. পুরভরা কাকরোল ভাজা হয়েগেলে তেল ঝরিয়ে একটি পাত্রের মধ্যে তুলে নিতে হবে।





অনুরূপ পোস্ট